মূল বিষয়বস্তুতে যান
Sheffield Ttimes লোগো

সময়ের সম্মুখে

ব্রেকিং

পুরভোটে আরও অবনমন, ফলপ্রকাশের দিনে 'শুন্যতার দাপট' বিজেপির কলকাতার সদর দপ্তরে 'কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে'- কেন্দ্রের লড়াইয়ে বাড়তি অক্সিজেন প্রাপ্তি মমতার RG Kar Case: সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল সহ ৩ IPS অফিসার! বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিজ্ঞাপন
Care and Cure 1
রাজ্য

স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক হাতেনাতে ধরে স্ত্রী ও প্রেমিককে নিয়ে থানায় হাজির স্বামী

শেফিল্ড টাইমস ডেস্ক প্রকাশিত:
স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক হাতেনাতে ধরে স্ত্রী ও প্রেমিককে নিয়ে থানায় হাজির স্বামী
শেয়ার করুন:

নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব মেদিনীপুর: স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক হাতেনাতে ধরে কোমরে দড়ি বেঁধে স্ত্রী ও তার প্রেমিককে নিয়ে সোজা থানায় হাজির স্বামী। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদল থানার সিনেমা মোড় এলাকায়। বর্তমানে যুবতী ও তার কলেজ পড়ুয়া প্রেমিক থানায় পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। 

আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: আগামী ১ নভেম্বর ঠাকুরনগরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী!

জানা যায়, ৭ বছর আগে সুতাহাটা থানা এলাকার বাসিন্দা অর্পিতা সামন্তর পূর্বেও একটি বিবাহ হয়েছিল। বিবাহ বিচ্ছেদের পরে বাপের বাড়ি সুতাহাটাতে থাকতে শুরু করেন অর্পিতা। তাঁর পূর্বের একটি সন্তানও রয়েছে। সেখানেই নন্দকুমার থানা এলাকায় শেখ মনিরুলের সাথে পরিচয় হয় তাঁর। পর্রবর্তী কালে সেটা ভালোবাসার সম্পর্কে গড়ায়। এরপরে তারা বিবাহও করেন। ৭ বছরের বিবাহিত সম্পর্কের পরে শেখ মনিরুলের অভিযোগ, অর্পিতা একটি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। তাঁদের বাড়িতেও যাতায়াত ছিল কলেজ পড়ুয়া ছেলেটির। সেই কথা অর্পিতা অস্বীকার করলে মনিরুল স্ত্রীর ওপর নজর রাখতে শুরু করেন। গত শনিবার অর্পিতা সুতাহাটায় তাঁর বাপের বাড়ি চলে যায়। তার স্বামী বারবার আসার জন্য অনুরোধ করলেও তিনি জানান মঙ্গলবার বাড়ি ফিরবেন। এরপরেই সন্দেহ হয় তাঁর স্বামীর। তিনি স্ত্রীর ওপর নজর রাখতে শুরু করেন এবং সোমবার নন্দকুমার থেকে সোজা মহিষাদলে এসে হাজির হয়। তারপরে হাতেনাতে ধরে ফেলেন ওই কলেজ পড়ুয়া ও তাঁর স্ত্রীকে। স্ত্রীর কোমরে দড়ি বেঁধে মারতে মারতে থানায় নিয়ে হাজির হয়। 

আরও পড়ুন: Arup Roy: 'কোনো জোট নয়, একাই লড়বে গণতান্ত্রিক তৃণমূল'-জানালেন অরূপ রায়!

অর্পিতা সামন্তের স্বামী শেখ মনিরুল বলেন, ৭ বছর তাঁর সঙ্গে সংসার করেছেন। তাঁর স্ত্রী'র সমন্ত কাজ প্রতিবেশীর কাছ থেকে জানতে পারেন তিনি। এরপরেই সন্দেহ হওয়ায় স্ত্রীকে হাতেনাতে ধরেন তিনি। স্ত্রীকে ওই কলেজ পড়ুয়া সঙ্গে বিবাহ দিতে চান তিনি। মহিষাদল থানার ওসি প্রলয় চন্দ্র বলেন, বিষয়টি তাদের পারিবারিক ব্যাপার। নিজেদের সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার জন্য বলেছেন তিনি।