শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: অনুব্রত কিন্তু আছে অনুব্রততেই। সেই রাসভারী মেজাজ তার এখনো আছে। নিজের নিয়মে আগের মতোই কালীপুজো করছেন। বীরভূমে (Birbhum) কালীক্ষেত্রের অভাব নেই। রয়েছে একাধিক সতীপীঠ, যা ভক্তদের মধ্য়ে বেশ জনপ্রিয়। তবে বরাবরই নজর কাড়ে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) পুজো। থরে থরে গয়না গিয়ে মূর্তি সাজান বীরভূমের এই নেতা। গত কয়েক বছরে তাঁর জীবনে অনেক কিছু ওলোটপালট হয়েছে। তিহাড় জেলে কাটিয়ে ফেরার পর রাজনৈতিক জীবনেও টানাপোড়েন কম হয়নি। তবে কালীপুজোর জৌলুস কমেনি এতটুকুও।
পুজো নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ঋতব্রত পন্থী তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বলেন, “আমি জেল থেকে আসার পরও মায়ের গয়নার পরিমাণ একই রয়েছে। আগে যত ভরি গয়না ছিল, এবারও তাই আছে।”
তাঁর দাবি, দল ক্ষমতায় না থাকলেও পুজোর আয়োজনে কোনও অভাব হয়নি। প্রায় ৭০০ ভরি সোনার গয়নায় সাজানো হয়েছে অনুব্রতর কালী প্রতিমা। রাজ্যে পালাবদলের পর বোলপুরে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের কালীপুজোর জৌলুস কিছুটা কমলেও ঐতিহ্যে ছেদ পড়েনি। এবারও প্রায় ৭০০ ভরি সোনার গয়নায় সাজানো হয়েছে কালী প্রতিমাকে। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ১১ কোটি টাকা। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অনুব্রত জানান, এই কালীপুজোর বয়স প্রায় ৫৫। একসময় একতলাতেই পুজো হত। পরে একদিন রাত ১২টায় তিনি যখন দলের কাজ সেরে যাচ্ছিলেন, সেই সময় হঠাৎ পুজোর জায়গায় দাঁড়িয়ে তাঁর একটা অদ্ভুত অনুভূতি হয়, তারপর অনুব্রত ঠিক করেন দোতলায় নিয়ে যাবেন মূর্তি। সেই থেকে দোতলায় হয় পুজো।
