শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: কথায় বলে "বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর ", আর সেই বিশ্বাস নিয়েই বাঁকুড়া সোনামুখীর এই মা Service Kali-র কাছে দূর দূরান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্তরা ছুটে আসেন মনস্কামনা নিয়ে। আসেন কর্মলাভ এবং চাকরির আশায়।
বাঁকুড়া শহর থেকে প্রায় ৪০কিমি দূরে সোনামুখীতে অবস্থিত এই সার্ভিস কালী মায়ের মন্দির। "সার্ভিস কালী" নামটার সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে এই দেবীর মাহাত্ম্য। কথিত আছে, আনুমানিক ১৯৮০ সালে একদল বেকার যুবক মায়ের কাছে কর্মলাভের আশায় আরাধনা করেছিলেন। পরবর্তীকালে তারা সকলেই কর্মমুখী হয়েছেন। ঠিক একই ভাবে ধীরে ধীরে মায়ের কাছে বহু ভক্তরা মানদ করে পেয়েছেন সরকারি থেকে বহু বেসরকারী চাকরি। জনশ্রুতি অনুযায়ী, আরও একটি কাহিনী প্রচলিত, তা হল এই সোনামুখী অঞ্চলের একটি রুটে দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সেখানে বাস পরিসেবা চালানোর অনুমতি পাচ্ছিলেন না বাস মালিকেরা। পরবর্তীকালে তারা মায়ের কাছে ষোলো আনা অর্থাৎ ১টাকা দিয়ে পুজো দিয়ে মাকে তাদের বাসনা জানান। এই ঘটনার কিছুদিনের মধ্যেই তারা বাস চালানোর লাইসেন্স পেয়ে যান এবং মাকে ভক্তি ভরে পুজো দেন। ফলে ক্রমেই লোকমুখে মা প্রচলিত হয়ে উঠলেন ''সার্ভিস মা কালী" নামে। আর আজ প্রায় ৮৫ বছর ধরে সোনামুখীতে পূজিতা হয়ে আসছেন এই মা কালী। জানা যায়, তিনি তার কোনো ভক্তকেই খালি হাতে ফেরান না। মাকে মন থেকে ডাকলে মা তার সাড়া দিয়েই থাকেন।তাই এই বিশ্বাস নিয়ে আজ বহু ভক্তরা মায়ের কাছে আসেন। প্রতি বছর কালী পুজোয় অগনিত ভক্তের সমাগম ঘটে এখানে।
বর্তমানে আমাদের রাজ্যে সুযোগের অভাবে বহু প্রতিভাবান চাকরিপ্রার্থী বিনা চাকরিতে অবসাদে ভুগছেন। আর সেই পশ্চিমবঙ্গেই অবস্থিত এই মা কালী বহু ভক্তকে কর্মের দিশা দেখিয়েছেন। তাই আপনিও যদি বিশ্বাস আর ভক্তি নিয়ে এই মায়ের কাছে আসেন, হয়ত মা আপনাকেও ফেরাবেন না, আপনিও পেয়ে যেতে পারেন আপনার স্বপ্নের কোনো চাকরি।
.jpeg)
