শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ। এই দেশ আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার। আমি বিশ্বাস করি দুই দেশের এই সম্পর্ক বজায় থাকবে।” সোমবার কথাগুলি বললেন (India US Relation) মার্কিন স্টেট দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি পড়েনি। পশ্চিম এশিয়ার আকাশে ঘনাচ্ছে যুদ্ধে মেঘ। এমতাবস্থায় ভারতকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার’ অভিধায় ভূষিত করায় ভূরাজনৈতিক পট পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাচ্ছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন: Simlipal National Park: ১ নভেম্বর থেকে খুলছে সিমলিপাল, দেখা মিলবে বিশ্বের বিরলতম কালো বাঘ!
দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় কিছু দিন আগে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন আপ সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তা (India US Relation) নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করেছিলেন এক মার্কিন কর্তা। এ নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। এদিন কেজরিওয়ালের গ্রেফতারি এবং গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ নিয়েও প্রশ্ন করা হয় মিলারকে। তিনি বলেন, “আমরা এই বিষয়গুলির ওপর নজর রাখছি। এর মধ্যে রয়েছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেফতারিও। কর না দেওয়ায় কংগ্রেসের কয়েকটি অ্যাকাউন্ট যে ফ্রিজ করে দিয়েছে আয়কর দফতর, সেই বিষয়টিও নজরে রয়েছে। দোরগোড়ায় নির্বাচন। কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যাওয়ায় নির্বাচনের মুখে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে কংগ্রেস।” এই বিষয়গুলির অবসান স্বচ্ছ এবং আইনি পথে হবে বলেই আশা প্রকাশ করেন মিলার। তিনি বলেন, “ভারত তার শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়ানো এবং স্বাধীন গণতন্ত্র নিয়ে গর্বিত।”
আরও পড়ুন: Narendra Modi: কংগ্রেসকে 'ফেলড প্রোডাক্ট’ বলে রাহুল গান্ধীকে তীব্র কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রীর!
প্রসঙ্গত, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী গ্রেফতারির পর মার্কিন স্টেট দফতরের তরফে যে মন্তব্য করা হয়েছিল, তাকে ‘অনভিপ্রেত’ বলা হয়েছিল বিদেশমন্ত্রকের তরফে। ভারতের নির্বাচনে এবং লিগ্যাল প্রসেসে বহিঃশক্তির হস্তক্ষেপ পুরোপুরি অনভিপ্রেত বলেও জানিয়ে দিয়েছিল বিদেশমন্ত্রক।রাশিয়া নির্ভরতা কমিয়ে সামরিক বাহিনীকে ঢেলে সাজাতে ভারত যে সচেষ্ট হয়েছে,তাকেও সাধুবাদ জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ভারত যে বিশ্ব নেতা হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছে, তাও মেনে নিয়েছে জো বাইডেনের দেশ। মার্কিন লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেফরি ক্রুজ এক সময় বলেছিলেন, “গত কয়েক বছরে জি২০ সম্মেলনের আয়োজন করে ভারত নিজেকে বিশ্বনেতা হিসেবে তুলে ধরেছে। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের মোকাবিলা যে একমাত্র ভারতই করতে পারে, তাও প্রমাণ করেছে নয়াদিল্লি (India US Relation)।”
