শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : মুজিবরের (Sheikh Mujibur Rahman) সমস্ত অস্তিত্ব মুছেছে। শেষে মুজিবর রহমান স্টেডিয়ামের নাম মুছে রাখা হলো 'জাতীয় স্টেডিয়াম।' আর এবার পালা কৃতি মানুষদের নাম মুছে ফেলা। বাংলাদেশে (Bangladesh) অস্থির পরিবেশের মাঝেই বেড়েছে অসহিষ্ণুতার প্রবণতা। আর তার জেরেই অবহেলিত হয়েছিলেন শেখ মুজিবর রহমান। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন মানবতাবাদী লালন সাঁই, বিজ্ঞানী আচার্য সত্যেন্দ্রনাথ বসু, আচার্য প্রফুল্ল রায় এবং কবি জীবনানন্দ দাশ।
আরও পড়ুন: Simlipal National Park: ১ নভেম্বর থেকে খুলছে সিমলিপাল, দেখা মিলবে বিশ্বের বিরলতম কালো বাঘ!
বাংলাদেশে এখন অন্তর্বর্তী মহম্মদ ইউনুসের (Muhammad Yunus) সরকার। আর সেই সরকারের জমানাতেই স্বাধীন বাংলাদেশে বেড়ে চলেছে একের পর এক ইতিহাস মুছে দেওয়ার প্রবণতা। কিন্তু সত্যিই কি গায়ের জোরে নাম মুছে ফেলা যায়? বাংলাদেশের প্রথম সারির দৈনিক প্রথম আলো সূত্রে খবর, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি নোটিস জারি করা হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার এস এম মাহবুবুর রহমান জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ১৬টি ভবনের নাম পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও তিনটি ভবন যথাক্রমে মাইকেল মধুসূদন দত্ত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজি নজরুল ইসলাম ভবনের নাম বদলানো হয়নি।
আরও পড়ুন: Narendra Modi: কংগ্রেসকে 'ফেলড প্রোডাক্ট’ বলে রাহুল গান্ধীকে তীব্র কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রীর!
এছাড়াও লালন সাঁইয়ের মতো উদারবাদীকে নিয়েও সরকারের এবং মৌলবাদীদের যথেষ্ট আপত্তি রয়েছে। টাঙ্গাইলের মধুপুরে 'লালন স্মরণোৎসব' বন্ধ করেছে সে দেশের সংগঠন হেফাজতে ইসলামি। এই বিষয় নিয়ে হেফাজতে ইসলামের নেতা মেহমুদুল্লা জানান, "লালনের ভ্রান্ত আদর্শ প্রচার আমরা করতে দেব না।" এখন বাংলাদেশের নানান জায়গায় লালন উৎসব বন্ধ করা হয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট 'লালন সাঁই মিলনায়তন'- এর নাম পরিবর্তন করে 'টিএসসি' করা হয়েছে। এছাড়াও আচার্য সত্যেন বসু, আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু, জীবনানন্দ দাশের ভবনগুলি থেকে ইতিমধ্যেই তাঁদের নাম সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
