মূল বিষয়বস্তুতে যান
Sheffield Ttimes লোগো

সময়ের সম্মুখে

ব্রেকিং

পুরভোটে আরও অবনমন, ফলপ্রকাশের দিনে 'শুন্যতার দাপট' বিজেপির কলকাতার সদর দপ্তরে 'কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে'- কেন্দ্রের লড়াইয়ে বাড়তি অক্সিজেন প্রাপ্তি মমতার RG Kar Case: সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল সহ ৩ IPS অফিসার! বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিজ্ঞাপন
Care and Cure 1
বিনোদন

Sonali Chowdhury : ছেলেই এখন সোনালির একমাত্র প্রায়োরিটি

শেফিল্ড টাইমস ডেস্ক প্রকাশিত:
Sonali Chowdhury : ছেলেই এখন সোনালির একমাত্র প্রায়োরিটি
শেয়ার করুন:

শেফিল্ড টাইম্‌স ডিজিটাল ডেস্ক : এক সময়ের চরম ব্যস্ত নায়িকা অভিনেত্রী সোনালি চৌধুরীর (Sonali Chowdhury)। ছোট পর্দায় একা রাজত্ব করেছেন বেশ কয়েক বছর। সকালে কলকাতায় থাকলে বিকেলে গাড়ি নিয়ে আউটডোরে সিনেমার শুটিং। কখনও আবার শো সেরে একরাশ ক্লান্তি নিয়েই পরের দিন সোজা স্টুডিয়োয় ঢুকেছেন। তবে এখন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জীবনের প্রায়োরিটি বদলে গিয়েছে অভিনেত্রী সোনালি চৌধুরীর। মাতৃত্বের জার্নিই এখন সবচেয়ে বেশি উপভোগ করছেন তিনি। তাই কাজ করলেও, সবটাই মেপে।

আরও পড়ুন: Amitabh Bachchan: অমিতাভের বিখ্যাত জুহুর বাংলো ‘জলসা’-কে বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি!

এই মুহূর্তে ‘মিত্তির বাড়ি’ (Mittir Bari)তে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রীকে। তবে আগের তুলনায় কাজের সংখ্যা অনেক কমিয়ে দিয়েছেন সোনালি। খুব ভেবেচিন্তে তবেই হাতে কাজ নেন। বললেন, ‘আর নতুন কোনও সিরিয়ালের কথা আমি এই মুহূর্তে ভাবছি না। সবাই জানে বাড়িতে বেশি সময় দিতেই এখন আমার ভালো লাগে। তাই ছেলেকে নিয়েই বেশিরভাগ সময় কাটছে।’ পুত্র রিয়ান ঘোষ দস্তিদার। সবে চার বছর তিন মাস বয়স। যার সঙ্গে সময় কাটানোর জন্যে সিরিয়াল, সিনেমার সব অফার হাসিমুখে ছেড়েছেন সোনালি। তিনি বলেন,‘ও এখন আমার প্রায়োরিটি। সম্পূর্ণ সময় তাই ওকেই দিতে চাই। আর রজতও (স্বামী) যেহেতু বাইরে থাকে, সেই জন্য আমার দায়িত্ব আরও অনেক বেশি।’ তবে শুধুই ছেলে নয়, বাড়ির রান্নাঘরের জোগাড় থেকে প্রয়োজনীয় যে কোনও বিষয়কেই ভীষণ ভাবে এনজয় করেন অভিনেত্রী। সময়ের দাম তাঁর কাছে অনেক।

আরও পড়ুন: Amitabh Bachchan: অমিতাভের বিখ্যাত জুহুর বাংলো ‘জলসা’-কে বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি!

তাই ছেলে হওয়ার পরে বার বার মনে হয়েছে যেন কখনও এমনটা মনে না হয় যে ছেলেকে সময় দিতে না পেরে অনুশোচনা করেন। অভিনেত্রীর কথায়, ‘আমার কাছে সময়ের দাম আরও অনেকখানি বেড়ে গিয়েছে। আমার বার বারই মনে হয় আমরা যতটা না পড়ে শিখি, শুনে শিখি তার থেকে অনেক বেশি চারপাশের সবকিছু দেখে শিখি। তাই ওর এই বড় হওয়াটা আমি খুব একটা মিস করতে চাই না। বড় হওয়ার পরে গিয়ে যাতে কখনও মনে না হয় যে ওর ছোটবেলাটা আমি দেখতে পেলাম না। সেই ভাবে উপভোগ করতে পারলাম না। অথবা ও আমার অভাববোধ করেছে।