শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: গুন্ডা দমন বিল নিয়ে শুক্রবার দিনভর শোরগোল পড়ার পর রাতে নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দ্ব্যর্থহীন ভাষায় তিনি জানিয়ে দিলেন, গুন্ডা দমন বিল নিয়ে ভুয়ো ও ভিত্তিহীন খবর ছড়িয়েছে। একইসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করলেন, রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছনোর পর তাঁরা বিলে অনুমোদন পাবেন। এদিন সকালে জানা যায়, গুন্ডা দমন বিলে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সই করেননি। তিনি তা ফেরত পাঠিয়েছেন। এই নিয়ে বিভিন্ন মহলে শোরগোল পড়ে। বর্ধমানে এই নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী এদিন দুপুরে জানিয়েছিলেন, রাজ্য সরকার যা করে, আইন মেনেই করে। এরপর কলকাতায় ফিরে রাতে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বরাষ্ট্র সচিব ও ডিজিপিকে সঙ্গে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, যে বিল নিয়ে এত আলোচনা, তার দুটো পার্ট রয়েছে। একটি পার্ট ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে। অন্য বিলটি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি বিলে অনুমোদন করেনি বলে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাজ্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে যোগাযোগ করে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা বিলটি যেখানে পাঠিয়েছি, সেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে যোগাযোগ করি। সাধারণভাবে কোনও বিলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিতে গেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মাধ্যমে যেতে হয়। সেক্ষেত্রে এই বিলের দুটো পার্ট ছিল। একটা তো ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে। সম্পতি বাজেয়াপ্ত করা, সুদ-সহ তিন গুণ আদায় করা। তাতে আমরা অনেকগুলো পদক্ষেপও করেছি। আসানসোলে পুলিশ ফাঁড়ি ভাঙাতে আদায়ও করা হয়েছে। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দ্বিতীয় হল প্রিভেনটিভ গ্রেফতার। বিলের কোথাও গুন্ডা বলে ভাষা নেই। সাংবাদিকদের তৈরি করা ভাষা। আমরাও কখনও কখনও বলেছি। আজকেও আমি বর্ধমানে বলেছি, যে গুন্ডারাই টুইট করছে। গুন্ডারাই সাংবাদিক বৈঠক করছে। এই বিল আমরা আমাদের পাওয়ারের মধ্যে থেকেই করেছি। সংবিধানের সপ্তম শিডিউলের ২৫৪(২) অনুচ্ছেদে আমাদের পাওয়ারের মধ্যেই এই বিল। NDPS অ্যাক্টের ক্ষেত্রে অন্ধ্র প্রদেশ ও কেরল সংশোধনী এনেছিল, সেজন্য রাষ্ট্রপতি কাছে পাঠাতে হয়েছিল।''
