মূল বিষয়বস্তুতে যান
Sheffield Ttimes লোগো

সময়ের সম্মুখে

ব্রেকিং

পুরভোটে আরও অবনমন, ফলপ্রকাশের দিনে 'শুন্যতার দাপট' বিজেপির কলকাতার সদর দপ্তরে 'কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে'- কেন্দ্রের লড়াইয়ে বাড়তি অক্সিজেন প্রাপ্তি মমতার RG Kar Case: সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল সহ ৩ IPS অফিসার! বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিজ্ঞাপন
Care and Cure 1
রাজ্য

জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়: এবার থানায় থানায় কালিমন্দির স্থাপনের নিদান মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের!

প্রকাশিত:

মূল বিষয়

এবার মনেহচ্ছে পুরো সরকারি ব্যবস্থাটাকেই ধর্মের আঙিনায় নিয়ে আসার জন্য উঠেপরে লেগে পড়েছে নতুন সরকার। এবার থানায় কালিমন্দির স্থাপনের নির্দেশ। তা আবার রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী Jagannath Chattopadhyay। মন্ত্রীর কথায়, পুলিশ সংস্কৃতির অঙ্গ কালীপুজো।তাই প্রত্যেক থানায় কালীমূর্তি থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন।

মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়
মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়
শেয়ার করুন:

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: এবার মনেহচ্ছে পুরো সরকারি ব্যবস্থাটাকেই ধর্মের আঙিনায় নিয়ে আসার জন্য উঠেপরে লেগে পড়েছে নতুন সরকার। এবার থানায় কালিমন্দির স্থাপনের নির্দেশ। তা আবার রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী Jagannath Chattopadhyay। মন্ত্রীর কথায়, পুলিশ সংস্কৃতির অঙ্গ কালীপুজো। তাই প্রত্যেক থানায় কালীমূর্তি থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। সিউড়িতে একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে এমনই মন্তব্য করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার সিউড়িতে পুলিশের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তিনি বলেন, “প্রত্যেক থানায় সাড়ম্বরে কালীপুজো হোক। রঘু ডাকাতও কিন্তু ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে মা কালীর পুজো করে যেতেন। বাঙালির সংস্কৃতিতে যেমন স্কুলে সরস্বতী পুজো রয়েছে,…পুলিশ সংস্কৃতির অঙ্গ কালীপুজো করানো। এটার মধ্যে ধর্মাচার নেই।” অন্তত শক্তিপীঠ বীরভূমের থানাগুলিতে কালীপুজো করার ও কালীমূর্তি রাখার আবেদন করেন তিনি। 

  জগন্নাথের মতে, থানায় কালীমূর্তি থাকা দরকার। তার কারণ হিসেবে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, “থানায় কালীমূর্তি থাকা দরকার। চোর যখন থানায় ঢুকবে, তখন মনে মনে বলবে মা যেন ছাড়া পাই। আর পুলিশ যখন বেরোবে, তখন প্রার্থনা করবে, আসামি যেন ধরা পড়ে।” উল্লেখ্য, রবিবার ৮ নভেম্বর কালীপুজো। তার আগে বাজির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে একগুচ্ছ নতুন নির্দেশনা জারি করেছে প্রশাসন। প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী, কালীপুজোয় কেবল পরিবেশবান্ধব ‘গ্রিন ক্র্যাকার্স’ ফাটানোর অনুমতি থাকবে। শব্দবাজির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শব্দসীমা ১২৫ ডেসিবেল এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ৯০ ডেসিবেল নির্ধারণ করা হয়েছে। কালীপুজোয় রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বাজি পোড়ানো যাবে। পাশাপাশি ফানুস ওড়ানোর জন্য অগ্নি নির্বাপক (ফায়ার) বিভাগের লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

প্রতিবেদক

Ankita Jana