শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: সামনেই দুটো উপ নির্বাচন। বিজেপি ও সিপিএম ছাড়া অন্যান্য দলের প্রতীক নিয়ে অনেক বিভ্রাট হয়েছে। এবার প্রচারের সময়। কিন্তু সেইভাবে প্রচার কোথায়? গণতান্ত্রিক তৃণমূলের প্রার্থীদের প্রতীক খাম। সেই প্রতীক ভোটারদের চেনাবেন কারা? পার্ক সার্কাসের বাসিন্দা এহতেশামুল হকের নামে নন্দীগ্রামে দেওয়াল লিখন এখনও দেখা যায়নি। ব্যানার, ফেস্টুনও চোখে পড়েনি। তারপরও অবশ্য জয়ের আশা ছাড়ছেন না গণতান্ত্রিক তৃণমূলের প্রার্থী। বললেন, “মাঠে, ময়দানে জবরদস্ত লড়াই হবে। কম করে ২০ থেকে ৩০ হাজার ব্যবধানে এখান থেকে আমি জিতব।” গণতান্ত্রিক তৃণমূলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী আপাতত রয়েছেন হলদিয়ার হোটেলে। হলদিয়া থেকে হলদি নদী পেরোলেই নন্দীগ্রাম। মেরেকেটে ১৫ মিনিট লাগে। সড়পথে ঘণ্টাখানেক। নন্দীগ্রামে ঋত শিবিরের প্রার্থী এহতেশামুল হক দিনকয়েক ধরে হলদিয়ায় থাকলেও এখনও নন্দীগ্রামে গিয়ে উঠতে পারেননি।
বিজেপির পাশাপাশি কংগ্রেস ও বামেরা যখন রাস্তায় রাস্তায় প্রচার করছে, তখন হলদিয়ার হোটেলে ঋত শিবিরের প্রার্থী। তবে গণতান্ত্রিক তৃণমূলের দাবি, নন্দীগ্রামের তৃণমূল কর্মীরা তাদের সঙ্গে রয়েছেন। কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র বললেন, “নন্দীগ্রামের অসংখ্যা কর্মী আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। আমরা সবাই রাজা আমাদেরই রাজার রাজত্বে।” এহতেশামুল বলছেন, আগামিকাল থেকে প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়বেন তাঁরা।গণতান্ত্রিক তৃণমূলকে এই নিয়ে খোঁচা দিল কংগ্রেস। তাদের বক্তব্য, “ঋতব্রত তৃণমূল সারাদিন বড় বড় কথা বলছে। অথচ ভয়ের ঠেলায় নন্দীগ্রামে ঢুকছে না। এ লড়াই কংগ্রেসের লড়াই। কংগ্রেস লড়বে।” আবার বামেদের কটাক্ষ, “হোটেলে বসে আছেন। এলাকায় পা রাখতে পারছেন না। এরা কেবলমাত্র বিরোধী ভোটকে ভাগ করে দিতে চাইছে। দিয়ে বিজেপির সুবিধা করে দিতে চাইছে।”
