শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: দুর্গাপুজো শেষ। বদলে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের(Bangla) আবহাওয়া। দিনে রোদের দেখা মিলছে। আর রাত বাড়তেই কমছে তাপমাত্রা। শহরতলি ও গ্রামের দিকে বেশ শীত শীত অনুভূতি শুরু হয়ে গিয়েছে। আর এই আবহেই অনেকেরই প্রশ্ন, তবে কি চলতি বছরে আগেই শীত পড়ে যাবে? কনকনে ঠান্ডা পড়বে? আর দেশের অন্য প্রান্তের আবহাওয়ার দিকে তাকালে কিছু ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলতে পারে। কারণ, ইতিমধ্যেই দিল্লিতে ৩ বছরের রেকর্ড ঠান্ডা পড়ে গিয়েছে। এমনকী হিমাচলে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নীচে চলে গিয়েছে। আর সেই ট্রেন্ড যদি চলে, তাহলে আশা করা যায়, এবার বাংলাতেও ভালই শীত পড়তে পারে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, উত্তর ভারতে শীতের আগমন ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। হিমাচল প্রদেশের উঁচু পার্বত্য এলাকা থেকে দিল্লির সমতল, সর্বত্রই হু হু করে নামছে তাপমাত্রা। জানলে অবাক হবেন, অক্টোবরের শেষেই হিমাচল প্রদেশের একাধিক জায়গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নীচে নেমে গিয়েছে।
অন্যদিকে মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর দিল্লিতে গত তিন বছরের মধ্যে অক্টোবর মাসের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আর আবহাওয়ার এই পরিবর্তনই ইঙ্গিত দিচ্ছে, উত্তর ভারত ধীরে ধীরে শীতের দিকে এগোচ্ছে।
ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (আইএমডি) জানিয়েছে, মঙ্গলবার দিল্লির সফদরজংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটা স্বাভাবিকের তুলনায় ১.৯ ডিগ্রি কম। যার ফলে বেশ শীত উপভোগ করছে দিল্লিবাসী। আগে ২০২৩ সালের ২৭ অক্টোবর দিল্লিতে এর চেয়ে কম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। সে দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ওদিকে আবার হিমাচল প্রদেশেও জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ে গিয়েছে। বিশেষ করে উঁচু পার্বত্য এলাকাগুলিতে কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। রাজ্যের একাধিক জায়গায় ইতিমধ্যেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে নেমে গিয়েছে।
.jpeg)
